Home / বাংলা টিপস / গরম পানি পানের উপকারিতা

গরম পানি পানের উপকারিতা

আজ থেকেই গরম পানি পান করা শুরু করুন!
শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখা, শরীরকে সচল রাখা, ত্বক ও চুলকে ঠিক রাখা, কিডনির যত্ন নেওয়া, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদি কাজের জন্য পানি শরীরের জন্য অ’ত্যন্ত উপকারি একটি উপাদান। সাধারণত আম’রা নর্মাল পানি বা ঠাণ্ডা পানি পান করে থাকি। তবে, গরম পানি পান করা যে আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারি, তা হয়তো আম’রা অনেকেই জানি না। ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে গরম পানি পান করলে আপনি পেতে পারেন অবিশ্বা’স্য ফল। গরম পানি হ’জম ক্ষমতা ও র’ক্ত চলাচলকে উন্নত করতে, ওজন হ্রাস করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করে।

হ’জম শক্তি বৃদ্ধি করে : গরম পানি হ’জম শক্তিকে বৃদ্ধি করে। পাকস্থলী এবং অন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাবার সময় হ’জম অঙ্গগু’লিকে আরও ভালো’ভাবে হাইড্রেটেড করে, যার ফলে বর্জ্য বস্তু শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয় এবং হ’জম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম পানি পান করুন।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : এটি বহু মানুষের একটি সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রাত্রে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস করে গরম পানি পান করুন। এটি অন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্ত্রকে সংকুচিত করে বর্জ্য পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে।

শরীরের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় : গরম পানি পান করলে র’ক্ত সঞ্চালন ভালো’ভাবে হয় বলে এটি শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকে সচল রাখতে সাহায্য করে, যা শরীরের বিভিন্ন ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। মা’থা যন্ত্র’ণা, গাঁটে গাঁটে ব্যথা, মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিক ঋতুচক্রের খিঁচুনিতেও আরাম’দায়ক গরম পানি।

র’ক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে : গরম পানি শরীরের ব্লাড ভেসেলস্কে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। ফলে প্রতিটি নার্ভ সচল থাকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে : গরম পানি শরীরের অ’তিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে এবং খিদে কমায়। ফলে ‘ক্যালরি ইনটেক’ কম হয়, যা দ্রুত ওজন ঝরাতে সহায়ক। তাই প্রতিদিন সকালে খালিপেটে লেবু বা মধু এক গ্লাস গরম পানি মিশ্রিত করে পান করুন।

অনিয়মিত পিরিয়ড ও ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় : মহিলাদের ক্ষেত্রে গরম পানি পান করার একটি বড় সুবিধা হলো, এটি অনিয়মিত ঋতুস্রাব ঠিক করতে এবং ঋতুস্রাবের ব্যথা থেকে উপশম দিতে সহায়তা করে। অনেক সময় র’ক্ত জমাট বেঁধে তা বেরোতে না পারলে ব্যথা হতে থাকে। এই সময় গরম পানি পান করলে জমাট বাধা র’ক্ত ভেঙে গিয়ে ব্লাড ফ্লো সঠিকভাবে হয়, যা ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

কী’ভাবে এবং কখন পান করবেন : প্রতিদিন রাতে খাওয়ার পরে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম পানি পান করুন। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানি পান করুন। সকালে এই গরম পানির সঙ্গে মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

যে তাপমাত্রায় গরম পানি খাবেন : অ’ত্যাধিক তাপমাত্রা যু’ক্ত গরম পানি খাবেন না। ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রা বা তার কম তাপমাত্রা যু’ক্ত পানি পান করুন। সাধারণ অর্থে, ঈষদুষ্ণ পানি পান করুন। নাহলে জিভ পু’ড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সূত্র : বোল্ডস্কাই

Check Also

অল্প খরচে নির্মাণ করুন মনের মত বাড়ি

মাত্র ৫-৬ লাখ টাকা – কোথা থেকে ইট আসবে, কোথা থেকে পাথর, কোন কোম্পানির রড …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *